
দুগ্ধজ্বর / মিল্ক ফিভার
(Milk fever)
কারণ:
প্রাণির শরীরে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কমে যাওয়ার ফলে দুগ্ধজ্বর হয় । বাচ্চা প্রসব হওয়ার সময় বাছুরের হাড়ের মাধ্যমে ও শালদুধের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম চলে যাওয়ার ফলে এ রোগের লক্ষণ দেখা দেয় ।
লক্ষণ:
♦ ক্ষুদামন্ধা, মাথা ও পা কাঁপে ।
♦ হার্টবীট বেড়ে যায় ।
♦ হাঁটতে গেলে টলে পড়ে যায় ।
♦ পিছনের পায়ে দুর্বলতার কারণে ভালভাবে ভর দিতে না পেরে শুয়ে পড়ে ।
♦ প্রাণি শুয়ে পেটের দিকে গুজে থাকে ।
♦ প্রাণির শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা তার চেয়ে কমে যায় ।
♦ প্রাণির শরীরে খিঁচুনী দেখা যায় এবং পা গুলো ছড়াইতে থাকে ।
♦ প্রাণি শেষে মারা যায় ।
রোগ নির্ণয়
বাচ্চা দেওয়া ও রোগের উল্লেখযোগ্য লক্ষণ দেখে এ রোগ নির্ণয় করা হয় ।
অথবা,
রক্তে ক্যালসিয়ামের পরিমান জেনে এ রোগ নির্ণয় করা যায় ।
চিকিৎসা:
Rx
Inj. Magical- 28 ( SK+F ) 250ml * ১ বোতল/ ইঞ্জেকশন ক্যাল- ডি- ম্যাক ভেট ( Cal- D- Mag )/ 200ml * ১ বোতল/ Inj. Decam 200ml * ১ বোতল/ Ing. Megacal- D- ( Opsonin ) 200ml * ১ বোতল ।নিয়ম: প্রাণির বয়স, শারিরীক ওজন, জাত, রোগের তীব্রতা ইত্যাদি বিবেচনা করে প্রতিটি প্রাণিকে উপরের যে কোন ইঞ্জেকশন ২০০- ৩০০ মি.লি. জগুলার শিয়ায় আস্তে আস্তে পশু দিতে হবে ।
অথবা,
Inj. Cofa- calcium 250ml * 1 vial .
নিয়ম: 100-150 মি.লি. ক্যালমিয়াম ৫% Dextrose Saline 1000 cc সহযোগে শিরায় আস্তে আস্তে পশু করতে হবে ।
প্রতিরোধ:
গর্ভকালীন সময়ে গাভীকে Calphos P ( Opsonin ) Sancal Oral ( Novartis )/ Calphos- DB
( Navana )/ DCP Plus ( Opsonin ) / Calvit HP ( Speed ) / Capton- PD ( Orbetec )
নিয়ম:
উপরের যে কোন একটি প্রতিদিন ৫০ গ্রাম বা ৫০ মি.লি. পরিমান খাবারের সঙ্গে দিয়ে এ
রোগ প্রতিরোধ করা যায় ।